রাজনৈতিক কিছু টার্মিনোলজি

✅রাজনৈতিক কিছু টার্মিনোলজি
(Politics & Governance)
✅ Oligarchy (অলিগার্কি) – যখন অল্প কয়েকজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দেশ পরিচালনার ক্ষমতা ধরে রাখে।
✅ Plutocracy (প্লুটোক্রেসি) – যখন ধনী ব্যক্তিরাই সরকার বা রাষ্ট্র পরিচালনা করে, অর্থাৎ অর্থশালী ব্যক্তিরাই মূল ক্ষমতার অধিকারী হয়।
✅ Autocracy (অটোক্রেসি) – যখন রাষ্ট্র পরিচালনায় মাত্র একজন ব্যক্তি একচ্ছত্র ক্ষমতা ধারণ করে এবং কারো মতামতের তোয়াক্কা করে না।
✅ Monarchy (মনার্কি) – রাজতন্ত্র, যেখানে ক্ষমতা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে যায় (যেমন: ব্রিটিশ রাজতন্ত্র)।
✅ Dictatorship (ডিক্টেটরশিপ) – একজন একনায়ক (ডিক্টেটর) পুরো রাষ্ট্র পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে যায়।
✅ Theocracy (থিওক্রেসি) – ধর্মীয় নেতারা রাষ্ট্র পরিচালনা করে এবং রাষ্ট্রীয় আইন ধর্মীয় নীতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় (যেমন: ইরান)।
✅ Totalitarianism (টোটালিটারিয়ানিজম) – একটি একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, যেখানে রাষ্ট্র জনগণের সব ধরনের কার্যকলাপ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে (যেমন: উত্তর কোরিয়া)।
✅ Bureaucracy (বিউরোক্রেসি) – রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এতটাই প্রভাবশালী হয়ে ওঠে যে, জনগণের মতামত প্রায় অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।
✅ Technocracy (টেকনোক্রেসি) – বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তিবিদরা প্রশাসনের মূল দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং তারা দেশের নীতিগুলো নির্ধারণ করে।
✅ Kleptocracy (ক্লেপ্টোক্রেসি) – দুর্নীতিপরায়ণ সরকারব্যবস্থা, যেখানে শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট করে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে।

অর্থনৈতিক টার্মিনোলজি (Economics & Business Power)
✅ Capitalism (ক্যাপিটালিজম) – মুক্তবাজার অর্থনীতি, যেখানে ব্যক্তি ও কোম্পানি সম্পত্তির মালিক এবং ব্যবসায় স্বাধীনতা পায়।
✅ Socialism (সোশালিজম) – একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যেখানে সম্পদ ও উৎপাদনের মালিকানা মূলত রাষ্ট্রের হাতে এবং সাম্যবাদী নীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।
✅ Communism (কমিউনিজম) – সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে অর্থনীতি পরিচালিত হয় এবং ব্যক্তি মালিকানা থাকে না, সবাই সমানভাবে সম্পদের অংশীদার হয়।
✅ Fascism (ফ্যাসিবাদ) – একটি একনায়কতন্ত্র, যেখানে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা দমন করা হয় (যেমন: হিটলারের নাৎসি জার্মানি)।
✅ Neoliberalism (নিওলিবারালিজম) – বিশ্বায়ন ও বেসরকারিকরণকে উৎসাহিত করে এমন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যেখানে সরকার বাজারের ওপর কম হস্তক্ষেপ করে।
✅ Monopoly (মোনোপলি) – যখন একটি নির্দিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান বাজারে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
✅ Trade War (ট্রেড ওয়ার) – যখন দুটি দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা চরমে পৌঁছে এবং একে অপরের ব্যবসার ওপর কঠোর শুল্ক ও বিধিনিষেধ আরোপ করে।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক টার্মিনোলজি (Societal & Cultural Power)
✅ Hegemony (হেজেমনি) – একটি রাষ্ট্র বা গোষ্ঠীর অন্যদের ওপর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।
✅ Imperialism (ইম্পেরিয়ালিজম) সাম্রাজ্যবাদ– একটি দেশ বা শক্তিধর গোষ্ঠী অন্য দেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ বা আধিপত্য বিস্তার করা (যেমন: ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ)।
✅ Colonialism (কলোনিয়ালিজম) উপনিবেশবাদ– একটি রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্র বা অঞ্চলের ওপর সরাসরি শাসন কায়েম করে ও সম্পদ শোষণ করে।
✅ Neocolonialism (নিওকলোনিয়ালিজম) – সাম্রাজ্যবাদ না থাকলেও অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা (যেমন: আফ্রিকায় পশ্চিমা কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণ)।
✅ Populism (পপুলিজম) – জনগণের আবেগকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জনের কৌশল।
✅ Propaganda (প্রোপাগান্ডা) – বিশেষ মতাদর্শ বা তথ্য প্রচারের মাধ্যমে জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করা।
✅ Anarchy (অ্যানার্কি) – রাষ্ট্র বা আইনের কোনো কার্যকরী নিয়ন্ত্রণ না থাকা, যেখানে বিশৃঙ্খলা ও আইনহীনতা বিরাজ করে।

সেকেন্ড রিপাবলিক (Second Republic) হলো একটি দেশের সংবিধানিক বা শাসন কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রজাতন্ত্র। এটি সাধারণত সংবিধান পরিবর্তন, বড় ধরনের রাজনৈতিক বিপ্লব, বা পুরোনো শাসন কাঠামোর পতনের পর গঠিত হয়।

গণ পরিষদ (Constituent Assembly) হলো একটি বিশেষ ধরনের প্রতিনিধি পরিষদ, যা নতুন সংবিধান প্রণয়ন বা বিদ্যমান সংবিধানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার জন্য গঠিত হয়। এটি সাধারণত নতুন স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের সময়, বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় বা শাসন কাঠামোর সংস্কারের প্রয়োজনে গঠিত হয়।

গণ পরিষদ গঠনের জন্য দুই ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়:

(ক) সরাসরি নির্বাচন: জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি গণ পরিষদে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই ১৯৭২ সালের গণ পরিষদে অন্তর্ভুক্ত হন।
(খ) মনোনয়ন পদ্ধতি: সামরিক বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দ্বারা নির্ধারিত ব্যক্তি গণ পরিষদে মনোনীত হতে পারেন। এই পদ্ধতি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সামরিক শাসনের পর গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সময়ে ব্যবহৃত হয়।

Related Posts

সর্বশেষ পোস্ট

সর্বাধিক পঠিত পোস্ট

Scroll to Top